সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

HeadAd

মানুষের লড়াই এক বা একাধিক মৌলিক অধিকার এবং প্রয়োজনকে রিফ্লেক্ট করবে

মৌলিক অধিকারের জন্য মানুষের লড়াই এক বা একাধিক প্রয়োজনকে রিফ্লেক্ট করবে। এখানে যেমন হতাশাজনক পুনরাবৃত্তি হওয়ার সুযোগ থাকে তেমনি সুযোগ সন্ধানীদের অংশগ্রহনে বৈপ্লবীক পরিবর্তনের সফলতা ও ব্যার্থতাকে প্রভাবিত করার নজীরও অবশ্যই আছে।তাই যেখানে অসংখ্য অসম্পুর্ন বর্ননা আছে সেটাকেই পরিবর্তনের সূতিকাগার ভাবা যায়।সুতরাং তাই বলেই হয়তো সতর্কতা।কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। দৃস্টিপাত রেখে সেসব অসামঞ্জস্যগুলির ব্যাখ্যা করার প্রবনতাও আগেই তৈরী হয়ে থাকে, এবং সেটা বিপ্লবের ঐ সুপ্ত বীজের ভিতর হতে একই সমান্তরালে বাড়তে থাকে একটি সুনিশ্চিতের মধ্যে এবং কিছুটা দোদুল্যমানতায়।বিপ্লবটিকে ফোরকাস্ট করার সুবিধাভোগীরা কখন থেকে সক্রিয় হয়েছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি। পরবর্তিতে সেটা অবশ্যম্ভাবী দূর্নীতির পর্যালোচনা হলেই সেটা সম্ভাব্য সূচনা এবং সমালোচনার মধ্যে অগ্রসর হলে পরে তখন তা বৈধ এলিট রাজনীতিকেও খাটো করার ক্ষমতায়ন অর্জন করে ফেলে এবং তারপর গনবিষ্ফোরনের পরিস্থিতি হলে তখন মূলধারার মানুষের নিশ্চিৎ অংশগ্রহনের মধ্যদিয়ে একটি সর্বাত্মক অভ্যুথ্বানের স্বীকৃতি পায়।এখানে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করতে হবে যে বিপ্লব পরবর্তী অবস্থান কি রকম হচ্ছে। অর্থাৎ এতদিনকার ব্যাখ্যা বিশ্লেষনে বৈসাদৃশ্যের ফাঁকটা কোথায় আসলে থাকতো।বুদ্ধিজীবিদের জন্য এটা ভীষন গুরুত্বপূর্ন তা না হলে পরবর্তীতে এসবের ব্যাখ্যা বিশ্লেষনে একটি সঠিক কনক্লুশান না হয়ে ধোঁয়াশা ও অসন্তোষ তৈরী করবে আর এটাকে ঘিরে নানান ধরনের ফর মূলা তৈরী হবে। অবশ্য বিস্ফোরন দুইটি কারনে হতে পারে এক স্টেকহোল্ডারদের নৈরাশ্যমূলক আচরন এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে আলোচনার (negotiation) সময় চলমান ব্যাখ্যা বিশ্লেষন ও পর্যালোচনা কিভাবে পরিচালিত (moderation) হচ্ছে এবং কতটা জনগনের ইচ্ছা অনিচ্ছাকে রিফ্লেক্ট করেছে অথবাবা কতটুকু জেগে উঠা জনগনের কাছাকাছি থাকতে পেরেছিলো এবং সর্বসাধারনের শত্রু স্বৈরতান্ত্রিক ঐসব বিচ্ছন্নবাদীদের তুলোধূনো করতে পেরেছিলো কিনা সে সমস্ত বর্ননার উপর। সবশেষে মনে রাখতে হবে বিপ্লব মানেই বিপুল সম্ভাবনার দুয়ার তাই এর সর্বাত্মক অংশগ্রহনকে অবহেলা করা ভুল হবে এবং কোন এস্কালেশান থাকলে সেগুলোর পূনঃপূনঃ মূল্যায়ন করার আবশ্যকীয়তাও কিছুতেই উপেক্ষা করা যাচ্ছেনা।

মানুষ তার অতীত ভুলে যায় বলেই হয়তো "history repeats itself", The most common quote associated with the idea of history repeating itself is "Those who cannot remember the past are condemned to repeat it," attributed to philosopher George Santayana. একটি নুতন দিগন্ত নিয়ে আলোচনা চলে আর ঐ যে ভুলে ভরা জীবনের জায়গাটা দখল করে নেয় চৈতন্য অথবা অনুচিত ও বর্বর কিছু নিরবতা। 

মানুষের ক্ষমতা যেমন সীমাহীন এক একটি দৈত্যাকার আলাদিনের কল্পনা হয়ে উঠতে পারে অনায়াসে, তেমনি পাশাপাশি কাছাকাছি থাকলে পরে তার স্মার্টনেসও তৈরী হয়ে যায় অনুকরনে। এভাবে আপোষহীন হয়ে যাবে অনেকেই।আপোষ নাই। তার কারন অবচেতন মনে সবাই সুযোগে থাকে কখন যে সময়টা আসবে সে অপেক্ষার পালা হবে শেষ অথবা মহেনদ্রক্ষন কি এসেই গেছে নাকি অজান্তে-এসময় ফিরে দেখার নয়, অনেক মানুষ তখন এত কাছাকাছি থাকলেও ঐ দুর্ভোগের ভারটা তবু কেন নিতে হচ্ছে মুস্টিমেয়কে বারংবার। বাংলাদেশে প্রকৃতপক্ষে যা ঘটে যাচ্ছে তা হল দেশপ্রেমের স্বরূপ আসলে কিরকম হয় সেটা সম্বন্ধে মানুষের মধ্যে স্পস্ট ধারনার অভাব।আর এটা শিক্ষার অভাব নয়, এদেশের মানুষ আসলে আপাদমস্তক ভয়ানক একপ্রকার দূর্নীতিগ্রস্ততায় ভুগছে। আমার ধারনা এটা প্রতিফল ভোগ হবে- বোধহয় মানষিক; কিন্তু এমনও তো হতে পারে যে এটা শিক্ষাদীক্ষায় ছড়িয়ে পড়া একপ্রকার জাতীয় বিকৃতি।কারন এখনকার মানুষ দ্বিধাগ্রস্ত থাকে জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে ভেবে কারন তারা জানেনা কোন চাকরী করলে সেটা তার জন্য নিরাপদ হবে।

মানুষের চাহিদা নাকি অপরিসীম কিন্তু প্রকৃত প্রয়োজন হতে পারে খুবই সামান্য। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কি মানুষেরই কাজ? নাকি ভারসাম্যটি সমাজের মধ্যে থাকবে, কিংবা রাস্ট্র তথা বিশ্ববাস্তবতার মধ্যে লুকিয়ে আছে যেটা ফুটে উঠে আমাদেরই লিখে রাখা ধরমীয় দায়বদ্ধতার মাঝে ?

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

চিন্তা সমগ্র যে পরিস্থিতিতে অবলীলায় দুঃশ্চিন্তায় পর্যবসিত

 জনগন আর জনতা এই দুই প্রতিশব্দের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। একটি হল সাধরন বোধ আর অপরটি মনের মধ্যে বোধগম্যতার  দূরত্ববোধক চিহ্ন বিরাজমান আছে এমন কোন ভাষ্য। যেহেতু কোন নির্দিস্ট ক্লাসিক ভাষার ব্যাবহার এই দুই অর্থে অপ্রতুল তাই কোনটিরই ব্যাবহারিক কোন মূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন কিছুই হয় না। কেবল উপস্থিতি (বুদ্ধি) দর্শন। যেখানে জাতী এবং নৃতত্ত্ব মূখ্য বিষয়। কিন্তু এই দুই তথ্যের পরিবেশনে বিবিধ উপাত্তের ভিত্তিতে এসব আলোচনার ক্ষেত্র পর্যবেক্ষন এবং আন্তর্জাতীক মূল্যায়নে অনেক দূষনের প্রমান থাকে। পরিবেশ দূষন বা বায়ো ডাইভার্সিটি বাদেও আরও অনেক দূষনের পরিভাষা বর্তমান সময়ে দেখা যায়। কেননা মানুষের কর্মকান্ডের চাপে মানুষই এখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশী।  এর মধ্যে অনেক কিছুই এখনও তথ্য উপাত্তের পর্যায়ে রয়ে গেছে যেগুলো এখন পর্যন্ত অ্যাড্রেস করা হয়ে উঠছে না। সামাজিক হোল্ডার ভাষা।সাময়িক ঘটনা পরবর্তী হোল্ডঅল নুতনত্ব অবলোকন।এবং অতঃপর আসে ন্যার্য্যতার বিচার বিশ্লেষনের প্রসঙ্গ গুলি।। এবার একটু বিষয়বস্তু কি তার উপর আলোকপাত করা যাক। ধরা যাক যেমন প্রত্যেক মানুষের জীবনেই কিছু অদল বদল হরহামেশা ঘটে থাকে প্রাত্যহিক ন...

নিশ্চয়তা মানুষের প্রত্যাশার কাছে কোন কোন উপায়ে প্রতিপাদ্য হয়।

 আবেগ এবং ভাষায় দ্বন্দ কোন দৃশ্যমান পদ্ধতিতে দেখার উপায় নেই। একটি দীর্ঘ সময়ের মাপকাঠিতে সূচীন্তিত বিভিন্ন ধারাবাহিকতায় বৈচিত্র গুলি এবং অতঃপর সূদীর্ঘ ইতিহাসটি জহুরীর চোখে পর্যালোচনা করলে পরে এই চলমান দ্বন্দে কিছুটা আলোকপাত করা হয়তো সম্ভব।  নিশ্চয়তা হচ্ছে একটি শব্দ যার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই এখনও সচেতন নয়। কিন্তু নিশ্চয়তার প্রত্যাশা করা প্রবৃতির অংশ ।  অতীতেও এরকম অনিশ্চিত জীবন যাপন হয়তো ছিলো। তাই  অধিকাংশ মানুষ বলতে এখানে কি বুঝাচ্ছে সেটার ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের জন্যও নির্দিস্ট কিছু মাপকাঠির দরকার হয়। জীবন পরিচালনায় নিশ্চয়তার ধারনার ব্যাপকতা, বিস্তৃত চিন্তার ক্ষেত্র ও মৌলিক বিশ্বাসের সাথে এর সংগতিপূর্ন অবস্থান থাকে তাই এখনকার আলোকিত যুগের পর্যলোচনায় এটা সাফল্যের বিচারে অনেক বেশী অনুভূত হচ্ছে একথাটিও ভুলে গেলে চলবে না। কারন মানুষের কার্যকলাপের ভিতরে প্রছন্ন অবস্থায় বিরাজমান থাকে আসলে নিশ্চয়তার অনুভূতিগুলিই। প্রছন্ন অবস্থায় থাকে বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সহযোগিতা।  নিশ্চয়তার এই অনুভূতিটি মনের মধ্যে অধিকতর সক্ষমতা তৈরী করবে। কারন ব্যাক্তির মন থেকে শুরু করে একটি সমাজ গঠন ...

পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতীক বৈষম্য সহ যে সব কারনে দেশে সর্বগ্রাসী দূর্নীতি ও কিছু একচোখা রাজৈনৈতীক ব্যাক্তিত্ব তৈরী করেছে সে কারনে এখন দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পথটা রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে

  একটি ভাবনা সাম্প্রতিক কালে খুব মাথাব্যাথার কারন হয়ে গেছে। বিচার বিশ্লেষন বাদ দিলে পরে জীবনে বাকি থাকছে আর কি। ভাষা আন্দোলনের সুফল এখনও অনেক বাঙালী জীবনে অদৃশ্য। এই অঞ্চলটি অতীত হতেই বিশ্ব রজনীতির ঘুটি হিসাবে গুরুত্বপূর্ন ছিলো। ইতিহাসের ব্যর্থতায় আমরা এর সম্বন্ধে আলোকপাত করতে বারংবার ব্যার্থ হয়েছি। অথচ ভাষা আন্দোলনের আমরাই অগ্রপথিক। রবীন্দ্রনাথকে পাকিস্তানী দোস্তিতে ভাগ করতেও দ্বিধা হয়নি বাংগালীর, সময় সাক্ষী। অনেক বুদ্ধিজীবি হত্যার ঘটনার দৃস্টিতে এটা দেখলে এর মধ্যে যে ষড়যন্ত্রের চিত্রটি রয়েছে তা পরিস্কার হয়।এখনও আমাদের জাতীয় বোধ অনেকেরই চক্ষুশূল।আর আমরাও যেন আশ্চর্য্যজনক ভাবে আজকের এই দিনেও ইতিহাসের ক্রীয়নক হতে পারলেই যেন বাধিত হই। ভাষা শহীদদের বলীদান তো বৃথা যেতে পারে না। অধিক সন্যাসীতে নাকি গাঁজন নস্ট। তাই বলে বিচার বিশ্লেষনের ক্ষমতা একদমই হারিয়ে শুধু নুতন নুতন মামলা নিয়ে আসা আর হাজিরা দিলেই কি আর পোড় খাওয়া অবহেলিত বাঙালীর মুক্তি হবে। বৈষম্যের কারনে কঙ্কালসার মানুষের পাঁজরের ভিতর দিয়েই বেড়ে উঠছে বৈষম্য নিয়ে টিকে থাকা সেইসব অভিশাপ। এদেশই মনে হয় বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে আমলাতন্ত...