আমাদের অতীত কি এতই নিকৃস্ট--আগে জ্বি হুজুর, জে আজ্ঞে পরে সুইং ট্রেন্ডস এবং পরাম্পরা প্রেজেন্টিং বিজনেস।
এদেশে বহুদিন ধরে একটি অবস্থা পর্যবেক্ষন করা যাচ্ছে যে কোন নামকরা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর জন্য কি ভয়ানক প্রতিযোগীতা হয়। ভারতেও এমন হয় কিনা জানিনা। তবে সংক্ষিপ্ত বর্ননায় পাশ্চাত্যের নামিদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত ভারত বা পাকিস্তানে ভর্তির এরকম আহজারী করতে কখনও শুনি নাই। শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা তো মা-বাবার তত্বাবধানে হওয়া উচিৎ। পদ্ধতিগত পরিবর্তনটা সমাজের সঙ্গে শোভনীয় পর্যায়ে অবস্থান করবে কিনা সেটাই সরকারী নীতি নির্ধারনীতে এ টু জেড পরির্তন এবং দক্ষ ব্যাবস্থাপনায় করা সম্ভব। শিক্ষার শেষ নাই তাই ব্যাবস্থায় হঠাৎ কোন পরিবর্তন করেও লাভ হবেনা।তখন এটা শুধুই এক্সপেরিমেন্টাল পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। শিক্ষা একটি অধিকার এবং সেইভাবে চিন্তা করলে সিলেবাস উঠিয়ে দিতে হবে। যেন একটি মিশ্র প্রকৃতির ও ডাইভার্সিফাইড শিক্ষাব্যাবস্থাপনা গড়ে উঠতে পারে যেখানে বিশ্লষনী মন মানষিকতাকে প্রাধান্য দেয়া হবে এবং কর্মসংস্থানে প্রতিযোগীতার হারটি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমানো সম্ভবপর হয়ে উঠে। সিলেবাস মুখস্ত করে হজম করার চেয়েও মাল্টিপল চয়েসের মাধ্যমে সিলেবাসটা রেডী করে দেওয়া ও ইন্টারপ্রিটেশন করতে পারাটাও শিক্ষার্থীর প্রথম পর্যায়ের লেসন হওয়া উচিৎ।...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন