ভেতর থেকে যে শক্তির উথান ঘটছে সেটাকে 'প্রশাসন' দিয়ে দমন করলেই শক্তি প্রয়োগের প্রশ্ন উঠে আসে এবং অবশেষে অবধারিত পরিনতি।
চিরকাল একই রকম যায় না।এদেশের রাজনীতি ভয়ানক জটিল এবং সবসময়ই খুব আনপ্রেডিক্টেবল থাকে।ভেতর থেকে যে শক্তির উথান ঘটছে সেটাকে 'প্রশাসন' দিয়ে দমন করলেই শক্তি প্রয়োগের প্রশ্ন উঠে আসে এবং অবশেষে অবধারিত পরিনতি। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়। দিন যতই এগুচ্ছে স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষ এই বিষয়ের আলোচনা আরো বেশী অশ্লীল আর বুদ্ধীশুদ্ধীহীন ধোঁয়াশায় পরিনত হচ্ছে।দায় গুনছে মুস্টিমেয়...। তবে এবারের ঘটনায় অনেক নতুন বুদ্ধিসুদ্ধির সংযোজন হয়েছে। এদেশের সাধারন মানুষের আবেগকে অব্যার্থভাবে ব্যাবহার করা হয়েছে যে তারও প্রমান আছে।প্রশ্ন হচ্ছে এটা কোন গোস্টির উদ্দেশ্যমূলক কিনা কিংবা স্রেফ ভ্যান্ডালিজম কিনা এসব পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে দেখা।কারন সাধারন মানুষের মন থেকে এসব কোনদিনই মুছে যাবে না।আমি জানি সম্প্রদায়ের প্রশ্নে এদেশে কথাবার্তাগুলি এখন 'বাতুলতা'য় ভরে গেছে; এবং এটাই সত্য যে পৃথীবিতে বাংলাদেশের মানুষরাই শান্তিতে নাই।আবারও এমন ভুল যদি ঘটে থাকে তাহলে জাতীগত ভাবে আমরা অস্তিত্ত্বের সঙ্কটে পড়বো।Perpetrator দের অব্যার্থ উদ্দেশ্য সম্বন্ধে দেশেবিদেশে সতর্ক থাকা দরকার। যে আবেগ নিয়ে এই অভ্যূথান ঘটেছে সেখানে সর্বস্তরের অংশগ্রহন ছিলো। যেটা প্রথম থেকেই আমরা দেখেছি এটাই আসল কথা।এখন সেই একই আবেগ নিয়ে যদি মানবতাবিরোধী অপরাধের ট্রাইবুনালের বিচার চলতে থাকে সেটা অবশেষে সর্বাত্মক প্রহসনে পরিনত হবে কিনা। ....এর একটা সর্বজনগ্রাহ্য টার্গেট থাকতে হবে; যেখানে দেশের মানসন্মানের হানী যাতে না হয় তাকেই প্রাধান্য দিতে হবে, এবং সেই উদ্দেশ্য নিয়েই পরিচালিত হতে হবে।জানিনা এদেশের ভবিষৎকি অজ্ঞেয়বাদীদের হাতে চলে যেতে পারে?
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন