সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

HeadAd

''আই ইট রাইস'' লেখা কি বেরুবে !

 ''আই ইট রাইস'' লেখা কি বেরুবে !


ডান্ডার উৎসই কি খারাপ তবে? বৃটিশরা ঠান্ডা মাথায় ডান্ডা চালাতো। বাঙাল চালায় গরম মাথায়। পার্থক্য বোঝা যায়। দুটোই ডান্ডা। আবার দুটোই উত্তরাধিকারী হচ্ছে কিছু একটা বস্তুর যেটা মুসলমানের নাই। আদতে 

এদেশে মুসলমানই আছে কিনা সন্দেহ তাই সমালোচনা করতেই চাই না। শুধু সিনাই ছিনাই শিক্ষা দেবার প্রয়োজন।ঠান্ডা খাওয়ানো নাহ্। রাস্ট্র তো গ্রোন আপ মানুষের।কোন জাতীর নয়। জাতী পাগল হলেও কখনোও ধর্মের বদনাম গাইবে না।কিন্তু কথা হল যখন গাইবে শুধুই গুনগান তাহলে এটা মরনের ধর্ম হতে পারে জীবনের নাহ্। সেক্স সম্বন্ধে কথাগুলি উঠলেই একধরনের বন্ধ্যত্ব আসে মুখে গালি দিলেই কি আর কলমের লেখাজোখার উপাদান হবে সেটা নাকি কিছু ড্রইং হয়ে যাবে, কে বলবে তা। "কান নিয়েছে চিলে'' --দূর্বোধ্য শীট। এদেশের রাজা বা সম্রাটগন গর্দান নিতে পারতো না উঁচা উপত্যকার বাসিন্দা হলেও ইহুদীদের মত মশল্লার ব্যাবসাই করতো তারা।??। তাই তাদের দিকে তীর নিক্ষেপ করে এখন আর লাভ নাই। তাদের শোষনকে আগেই গু হারা হারিয়ে মায়ের সন্তান মায়ের কোলেই তো পাঠিয়েছে এই বাঙালিরাই। সে একজন এ কে ফজলুল হক বাঙালীই হোন কিংবা বহুল আলোচিত সিরাজ শিকদার।

এসব কথা নবীওয়ালারা না শুনে কানে তুলো দেওয়া উচিৎ কিংবা খান সাহেব, এক খিলি পান। ফাকিস্তানীরা আদমজি বিলিয়ে দিতে এদেশেই আর আসবে না। অবশ্য অন্য কোন কারন...

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

চিন্তা সমগ্র যে পরিস্থিতিতে অবলীলায় দুঃশ্চিন্তায় পর্যবসিত

 জনগন আর জনতা এই দুই প্রতিশব্দের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। একটি হল সাধরন বোধ আর অপরটি মনের মধ্যে বোধগম্যতার  দূরত্ববোধক চিহ্ন বিরাজমান আছে এমন কোন ভাষ্য। যেহেতু কোন নির্দিস্ট ক্লাসিক ভাষার ব্যাবহার এই দুই অর্থে অপ্রতুল তাই কোনটিরই ব্যাবহারিক কোন মূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন কিছুই হয় না। কেবল উপস্থিতি (বুদ্ধি) দর্শন। যেখানে জাতী এবং নৃতত্ত্ব মূখ্য বিষয়। কিন্তু এই দুই তথ্যের পরিবেশনে বিবিধ উপাত্তের ভিত্তিতে এসব আলোচনার ক্ষেত্র পর্যবেক্ষন এবং আন্তর্জাতীক মূল্যায়নে অনেক দূষনের প্রমান থাকে। পরিবেশ দূষন বা বায়ো ডাইভার্সিটি বাদেও আরও অনেক দূষনের পরিভাষা বর্তমান সময়ে দেখা যায়। কেননা মানুষের কর্মকান্ডের চাপে মানুষই এখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশী।  এর মধ্যে অনেক কিছুই এখনও তথ্য উপাত্তের পর্যায়ে রয়ে গেছে যেগুলো এখন পর্যন্ত অ্যাড্রেস করা হয়ে উঠছে না। সামাজিক হোল্ডার ভাষা।সাময়িক ঘটনা পরবর্তী হোল্ডঅল নুতনত্ব অবলোকন।এবং অতঃপর আসে ন্যার্য্যতার বিচার বিশ্লেষনের প্রসঙ্গ গুলি।। এবার একটু বিষয়বস্তু কি তার উপর আলোকপাত করা যাক। ধরা যাক যেমন প্রত্যেক মানুষের জীবনেই কিছু অদল বদল হরহামেশা ঘটে থাকে প্রাত্যহিক ন...

নিশ্চয়তা মানুষের প্রত্যাশার কাছে কোন কোন উপায়ে প্রতিপাদ্য হয়।

 আবেগ এবং ভাষায় দ্বন্দ কোন দৃশ্যমান পদ্ধতিতে দেখার উপায় নেই। একটি দীর্ঘ সময়ের মাপকাঠিতে সূচীন্তিত বিভিন্ন ধারাবাহিকতায় বৈচিত্র গুলি এবং অতঃপর সূদীর্ঘ ইতিহাসটি জহুরীর চোখে পর্যালোচনা করলে পরে এই চলমান দ্বন্দে কিছুটা আলোকপাত করা হয়তো সম্ভব।  নিশ্চয়তা হচ্ছে একটি শব্দ যার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই এখনও সচেতন নয়। কিন্তু নিশ্চয়তার প্রত্যাশা করা প্রবৃতির অংশ ।  অতীতেও এরকম অনিশ্চিত জীবন যাপন হয়তো ছিলো। তাই  অধিকাংশ মানুষ বলতে এখানে কি বুঝাচ্ছে সেটার ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের জন্যও নির্দিস্ট কিছু মাপকাঠির দরকার হয়। জীবন পরিচালনায় নিশ্চয়তার ধারনার ব্যাপকতা, বিস্তৃত চিন্তার ক্ষেত্র ও মৌলিক বিশ্বাসের সাথে এর সংগতিপূর্ন অবস্থান থাকে তাই এখনকার আলোকিত যুগের পর্যলোচনায় এটা সাফল্যের বিচারে অনেক বেশী অনুভূত হচ্ছে একথাটিও ভুলে গেলে চলবে না। কারন মানুষের কার্যকলাপের ভিতরে প্রছন্ন অবস্থায় বিরাজমান থাকে আসলে নিশ্চয়তার অনুভূতিগুলিই। প্রছন্ন অবস্থায় থাকে বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সহযোগিতা।  নিশ্চয়তার এই অনুভূতিটি মনের মধ্যে অধিকতর সক্ষমতা তৈরী করবে। কারন ব্যাক্তির মন থেকে শুরু করে একটি সমাজ গঠন ...

পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতীক বৈষম্য সহ যে সব কারনে দেশে সর্বগ্রাসী দূর্নীতি ও কিছু একচোখা রাজৈনৈতীক ব্যাক্তিত্ব তৈরী করেছে সে কারনে এখন দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পথটা রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে

  একটি ভাবনা সাম্প্রতিক কালে খুব মাথাব্যাথার কারন হয়ে গেছে। বিচার বিশ্লেষন বাদ দিলে পরে জীবনে বাকি থাকছে আর কি। ভাষা আন্দোলনের সুফল এখনও অনেক বাঙালী জীবনে অদৃশ্য। এই অঞ্চলটি অতীত হতেই বিশ্ব রজনীতির ঘুটি হিসাবে গুরুত্বপূর্ন ছিলো। ইতিহাসের ব্যর্থতায় আমরা এর সম্বন্ধে আলোকপাত করতে বারংবার ব্যার্থ হয়েছি। অথচ ভাষা আন্দোলনের আমরাই অগ্রপথিক। রবীন্দ্রনাথকে পাকিস্তানী দোস্তিতে ভাগ করতেও দ্বিধা হয়নি বাংগালীর, সময় সাক্ষী। অনেক বুদ্ধিজীবি হত্যার ঘটনার দৃস্টিতে এটা দেখলে এর মধ্যে যে ষড়যন্ত্রের চিত্রটি রয়েছে তা পরিস্কার হয়।এখনও আমাদের জাতীয় বোধ অনেকেরই চক্ষুশূল।আর আমরাও যেন আশ্চর্য্যজনক ভাবে আজকের এই দিনেও ইতিহাসের ক্রীয়নক হতে পারলেই যেন বাধিত হই। ভাষা শহীদদের বলীদান তো বৃথা যেতে পারে না। অধিক সন্যাসীতে নাকি গাঁজন নস্ট। তাই বলে বিচার বিশ্লেষনের ক্ষমতা একদমই হারিয়ে শুধু নুতন নুতন মামলা নিয়ে আসা আর হাজিরা দিলেই কি আর পোড় খাওয়া অবহেলিত বাঙালীর মুক্তি হবে। বৈষম্যের কারনে কঙ্কালসার মানুষের পাঁজরের ভিতর দিয়েই বেড়ে উঠছে বৈষম্য নিয়ে টিকে থাকা সেইসব অভিশাপ। এদেশই মনে হয় বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে আমলাতন্ত...