সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

HeadAd

নিশ্চয়তা মানুষের প্রত্যাশার কাছে কোন কোন উপায়ে প্রতিপাদ্য হয়।

 আবেগ এবং ভাষায় দ্বন্দ কোন দৃশ্যমান পদ্ধতিতে দেখার উপায় নেই। একটি দীর্ঘ সময়ের মাপকাঠিতে সূচীন্তিত বিভিন্ন ধারাবাহিকতায় বৈচিত্র গুলি এবং অতঃপর সূদীর্ঘ ইতিহাসটি জহুরীর চোখে পর্যালোচনা করলে পরে এই চলমান দ্বন্দে কিছুটা আলোকপাত করা হয়তো সম্ভব। 

নিশ্চয়তা হচ্ছে একটি শব্দ যার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই এখনও সচেতন নয়। কিন্তু নিশ্চয়তার প্রত্যাশা করা প্রবৃতির অংশ ।  অতীতেও এরকম অনিশ্চিত জীবন যাপন হয়তো ছিলো। তাই  অধিকাংশ মানুষ বলতে এখানে কি বুঝাচ্ছে সেটার ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের জন্যও নির্দিস্ট কিছু মাপকাঠির দরকার হয়। জীবন পরিচালনায় নিশ্চয়তার ধারনার ব্যাপকতা, বিস্তৃত চিন্তার ক্ষেত্র ও মৌলিক বিশ্বাসের সাথে এর সংগতিপূর্ন অবস্থান থাকে তাই এখনকার আলোকিত যুগের পর্যলোচনায় এটা সাফল্যের বিচারে অনেক বেশী অনুভূত হচ্ছে একথাটিও ভুলে গেলে চলবে না। কারন মানুষের কার্যকলাপের ভিতরে প্রছন্ন অবস্থায় বিরাজমান থাকে আসলে নিশ্চয়তার অনুভূতিগুলিই। প্রছন্ন অবস্থায় থাকে বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সহযোগিতা। 

নিশ্চয়তার এই অনুভূতিটি মনের মধ্যে অধিকতর সক্ষমতা তৈরী করবে। কারন ব্যাক্তির মন থেকে শুরু করে একটি সমাজ গঠন ও রাস্ট্রিয় সকল পরিসর ঘিরে প্রায় সব ক্ষেত্রেই নিশ্চয়তার হিসাব নিকাশ আগে ভাগেই থাকছে।

আবেগ ও ভাষায় তবুও যে দ্বন্দের প্রচলন থাকে সেটাও হয়তো তথাকথিত এই নিশ্চয়তার অভাববোধ থেকে তৈরী হতে পারে। অথবা পরিবর্তিত পরিস্থিতি যখন একবার দৃশ্যমান হবে তখনকার পরিবেশের আলোকে মানব মনের আরাধ্য ভাষার বাধ্যকতার ভিতর দিয়ে তার পরিস্ফুটিত রূপটি যখন প্রকাশিত হয়।

কথায় কাজে মিল থাকাই হচ্ছে বিশ্বস্ততার প্রতিফলন। শুধু সাহিত্যের পাতা ছন্দে ছন্দে ভরে দিলেই জীবনে স্বছন্দ জারী হয়ে যাবে না এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই একবার হলেও হয়েছে। মানুষের চাহিদার কাছে মানুষই যখন তুচ্ছ তখন নিশ্চয়তার কথবার্তা এটা কোন ধরনের সামাজিক দর্শন না হলেও মানুষের বিবেকের সমান্তরালে অন্যান্য যেসব বুদ্ধিবৃত্তিক চাহিদাগুলো আছে তাদের সঙ্গে জৈবীক অবস্থার একটি সামঞ্জস্য বিধান অন্ততঃ করে থাকে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কঙ্কাল গল্পে এমন সামঞ্জস্যের উপরই আলোকপাত হয়েছে।যে কোন প্রস্তাবনায় সবটাই হয়তো বুঝতে হবে তা না কিন্তু তারপরও যদি কোন কিছু পাওয়ার থাকে সেটাই বুঝে নেওয়ার মত এবং আরো কিছুটা হয়ত সমন্বয় করার বাকি থাকবে, যদি থেকেই থাকে তবে ঠিক ততটুকু বুঝতে হয়।

এমন আরো কিছু শব্দ চয়ন রয়েছে যা আমাদের আধুনিক জীবনযাপনের গুরুত্ব বিবেচনায় সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করন এবং উন্নত জীবনধারার সঙ্গে একটি বাস্তব সমন্বয় সাধনের জন্য খুবই গুরুপূর্ন। তাই এর বিশ্লেষনও জরুরী। এইরকমই আরো কিছু শব্দ যেমন মতামত বা Consensus, মোতায়েন বা Deployment, মানষিক বা Mental এবং হস্তান্তর বা Decentralization ইত্যাদি। আধুনিক জীবনযাপনে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ উভয় দিক থেকেই এখন শব্দগুলি অনেক বেশি আলোচিত।

জনগোষ্ঠির মতামত কখনও কখনও জরুরী বলে মনে হতে পারে। ক্লীব সমাজ গঠনমূলক হবে কিনা সেটাও জেনে নেয়া উচিৎ। যে কোন সমাজে জনমতের গুরুত্ব কতটা দেয়া হল সেটা এভাবেই প্রতিভাত হতে দেখা যায়।

 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মানুষের লড়াই এক বা একাধিক মৌলিক অধিকার এবং প্রয়োজনকে রিফ্লেক্ট করবে

মৌলিক অধিকারের জন্য মানুষের লড়াই এক বা একাধিক প্রয়োজনকে রিফ্লেক্ট করবে। এখানে যেমন হতাশাজনক পুনরাবৃত্তি হওয়ার সুযোগ থাকে তেমনি সুযোগ সন্ধানীদের অংশগ্রহনে বৈপ্লবীক পরিবর্তনের সফলতা ও ব্যার্থতাকে প্রভাবিত করার নজীরও অবশ্যই আছে।তাই যেখানে অসংখ্য অসম্পুর্ন বর্ননা আছে সেটাকেই পরিবর্তনের সূতিকাগার ভাবা যায়।সুতরাং তাই বলেই হয়তো সতর্কতা।কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। দৃস্টিপাত রেখে সেসব অসামঞ্জস্যগুলির ব্যাখ্যা করার প্রবনতাও আগেই তৈরী হয়ে থাকে, এবং সেটা বিপ্লবের ঐ সুপ্ত বীজের ভিতর হতে একই সমান্তরালে বাড়তে থাকে একটি সুনিশ্চিতের মধ্যে এবং কিছুটা দোদুল্যমানতায়।বিপ্লবটিকে ফোরকাস্ট করার সুবিধাভোগীরা কখন থেকে সক্রিয় হয়েছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি। পরবর্তিতে সেটা অবশ্যম্ভাবী দূর্নীতির পর্যালোচনা হলেই সেটা সম্ভাব্য সূচনা এবং সমালোচনার মধ্যে অগ্রসর হলে পরে তখন তা বৈধ এলিট রাজনীতিকেও খাটো করার ক্ষমতায়ন অর্জন করে ফেলে এবং তারপর গনবিষ্ফোরনের পরিস্থিতি হলে তখন মূলধারার মানুষের নিশ্চিৎ অংশগ্রহনের মধ্যদিয়ে একটি সর্বাত্মক অভ্যুথ্বানের স্বীকৃতি পায়।...

জ্বে আজ্ঞে তল্পীবাহক

 আমাদের অতীত কি এতই নিকৃস্ট--আগে জ্বি হুজুর, জে আজ্ঞে পরে সুইং ট্রেন্ডস এবং পরাম্পরা প্রেজেন্টিং বিজনেস। এদেশে বহুদিন ধরে একটি অবস্থা পর্যবেক্ষন করা যাচ্ছে যে কোন নামকরা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর জন্য কি ভয়ানক প্রতিযোগীতা হয়। ভারতেও এমন হয় কিনা জানিনা। তবে সংক্ষিপ্ত বর্ননায় পাশ্চাত্যের নামিদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত ভারত বা পাকিস্তানে ভর্তির এরকম আহজারী করতে কখনও শুনি নাই। শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা তো মা-বাবার তত্বাবধানে হওয়া উচিৎ। পদ্ধতিগত পরিবর্তনটা সমাজের সঙ্গে শোভনীয় পর্যায়ে অবস্থান করবে কিনা সেটাই সরকারী নীতি নির্ধারনীতে এ টু জেড পরির্তন এবং দক্ষ ব্যাবস্থাপনায় করা সম্ভব। শিক্ষার শেষ নাই তাই ব্যাবস্থায় হঠাৎ কোন পরিবর্তন করেও লাভ হবেনা।তখন এটা শুধুই এক্সপেরিমেন্টাল পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। শিক্ষা একটি অধিকার এবং সেইভাবে চিন্তা করলে সিলেবাস উঠিয়ে দিতে হবে। যেন একটি মিশ্র প্রকৃতির ও ডাইভার্সিফাইড শিক্ষাব্যাবস্থাপনা গড়ে উঠতে পারে যেখানে বিশ্লষনী মন মানষিকতাকে প্রাধান্য দেয়া হবে এবং কর্মসংস্থানে প্রতিযোগীতার হারটি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমানো সম্ভবপর হয়ে উঠে। সিলেবাস মুখস্ত করে হজম করার চেয়েও ...

এদেশের ভবিষৎ কি অজ্ঞেয়বাদীদের হাতে চলে যেতে পারে?

 ভেতর থেকে যে শক্তির উথান ঘটছে সেটাকে 'প্রশাসন' দিয়ে দমন করলেই শক্তি প্রয়োগের প্রশ্ন উঠে আসে এবং অবশেষে অবধারিত পরিনতি। চিরকাল একই রকম যায় না।এদেশের রাজনীতি ভয়ানক জটিল এবং সবসময়ই খুব আনপ্রেডিক্টেবল থাকে।ভেতর থেকে যে শক্তির উথান ঘটছে সেটাকে 'প্রশাসন' দিয়ে দমন করলেই শক্তি প্রয়োগের প্রশ্ন উঠে আসে এবং অবশেষে অবধারিত পরিনতি। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়। দিন যতই এগুচ্ছে স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষ এই বিষয়ের আলোচনা আরো বেশী অশ্লীল আর বুদ্ধীশুদ্ধীহীন ধোঁয়াশায় পরিনত হচ্ছে।দায় গুনছে মুস্টিমেয়...। তবে এবারের ঘটনায় অনেক নতুন বুদ্ধিসুদ্ধির সংযোজন হয়েছে। এদেশের সাধারন মানুষের আবেগকে অব্যার্থভাবে ব্যাবহার করা হয়েছে যে তারও প্রমান আছে।প্রশ্ন হচ্ছে এটা কোন গোস্টির উদ্দেশ্যমূলক কিনা কিংবা স্রেফ ভ্যান্ডালিজম কিনা এসব পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে দেখা।কারন সাধারন মানুষের মন থেকে এসব কোনদিনই মুছে যাবে না।আমি জানি সম্প্রদায়ের প্রশ্নে এদেশে কথাবার্তাগুলি এখন 'বাতুলতা'য় ভরে গেছে; এবং এটাই সত্য যে পৃথীবিতে বাংলাদেশের মানুষরাই শান্তিতে নাই।আবারও এমন ভুল যদি ঘটে থাকে তাহলে জাতীগত ...