সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

HeadAd

পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতীক বৈষম্য সহ যে সব কারনে দেশে সর্বগ্রাসী দূর্নীতি ও কিছু একচোখা রাজৈনৈতীক ব্যাক্তিত্ব তৈরী করেছে সে কারনে এখন দেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার পথটা রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে

  একটি ভাবনা সাম্প্রতিক কালে খুব মাথাব্যাথার কারন হয়ে গেছে। বিচার বিশ্লেষন বাদ দিলে পরে জীবনে বাকি থাকছে আর কি। ভাষা আন্দোলনের সুফল এখনও অনেক বাঙালী জীবনে অদৃশ্য। এই অঞ্চলটি অতীত হতেই বিশ্ব রজনীতির ঘুটি হিসাবে গুরুত্বপূর্ন ছিলো। ইতিহাসের ব্যর্থতায় আমরা এর সম্বন্ধে আলোকপাত করতে বারংবার ব্যার্থ হয়েছি। অথচ ভাষা আন্দোলনের আমরাই অগ্রপথিক। রবীন্দ্রনাথকে পাকিস্তানী দোস্তিতে ভাগ করতেও দ্বিধা হয়নি বাংগালীর, সময় সাক্ষী। অনেক বুদ্ধিজীবি হত্যার ঘটনার দৃস্টিতে এটা দেখলে এর মধ্যে যে ষড়যন্ত্রের চিত্রটি রয়েছে তা পরিস্কার হয়।এখনও আমাদের জাতীয় বোধ অনেকেরই চক্ষুশূল।আর আমরাও যেন আশ্চর্য্যজনক ভাবে আজকের এই দিনেও ইতিহাসের ক্রীয়নক হতে পারলেই যেন বাধিত হই। ভাষা শহীদদের বলীদান তো বৃথা যেতে পারে না। অধিক সন্যাসীতে নাকি গাঁজন নস্ট। তাই বলে বিচার বিশ্লেষনের ক্ষমতা একদমই হারিয়ে শুধু নুতন নুতন মামলা নিয়ে আসা আর হাজিরা দিলেই কি আর পোড় খাওয়া অবহেলিত বাঙালীর মুক্তি হবে। বৈষম্যের কারনে কঙ্কালসার মানুষের পাঁজরের ভিতর দিয়েই বেড়ে উঠছে বৈষম্য নিয়ে টিকে থাকা সেইসব অভিশাপ। এদেশই মনে হয় বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে আমলাতন্ত...

চিন্তা সমগ্র যে পরিস্থিতিতে অবলীলায় দুঃশ্চিন্তায় পর্যবসিত

 জনগন আর জনতা এই দুই প্রতিশব্দের মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে। একটি হল সাধরন বোধ আর অপরটি মনের মধ্যে বোধগম্যতার  দূরত্ববোধক চিহ্ন বিরাজমান আছে এমন কোন ভাষ্য। যেহেতু কোন নির্দিস্ট ক্লাসিক ভাষার ব্যাবহার এই দুই অর্থে অপ্রতুল তাই কোনটিরই ব্যাবহারিক কোন মূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন কিছুই হয় না। কেবল উপস্থিতি (বুদ্ধি) দর্শন। যেখানে জাতী এবং নৃতত্ত্ব মূখ্য বিষয়। কিন্তু এই দুই তথ্যের পরিবেশনে বিবিধ উপাত্তের ভিত্তিতে এসব আলোচনার ক্ষেত্র পর্যবেক্ষন এবং আন্তর্জাতীক মূল্যায়নে অনেক দূষনের প্রমান থাকে। পরিবেশ দূষন বা বায়ো ডাইভার্সিটি বাদেও আরও অনেক দূষনের পরিভাষা বর্তমান সময়ে দেখা যায়। কেননা মানুষের কর্মকান্ডের চাপে মানুষই এখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশী।  এর মধ্যে অনেক কিছুই এখনও তথ্য উপাত্তের পর্যায়ে রয়ে গেছে যেগুলো এখন পর্যন্ত অ্যাড্রেস করা হয়ে উঠছে না। সামাজিক হোল্ডার ভাষা।সাময়িক ঘটনা পরবর্তী হোল্ডঅল নুতনত্ব অবলোকন।এবং অতঃপর আসে ন্যার্য্যতার বিচার বিশ্লেষনের প্রসঙ্গ গুলি।। এবার একটু বিষয়বস্তু কি তার উপর আলোকপাত করা যাক। ধরা যাক যেমন প্রত্যেক মানুষের জীবনেই কিছু অদল বদল হরহামেশা ঘটে থাকে প্রাত্যহিক ন...

একটি শহর চালায় সরকার কিন্তু খোলা প্রান্তর কে শাসন করে

ঐতিহ্য জাতীর পরিচয়। এটা সমাজে উচ্চাকাঙখার সঠিক নির্দেশনা তৈরী করে এবং রাজনৈতীক স্থিতিশীলতাকে রুপায়ন করতে জন্য অনেক জরুরী। ঐতীহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা তাই অপরিহার্য। আগের দিনে যখন যাত্রাগান হত সাদামাটা জীবনের গ্রাম যেন জেগে উঠতো। নিরব প্রান্তরের দিকে জনমানুষের মিছিল নামতো। এখন গ্রামের জীবন নিস্তরঙ্গ নয় যে এতটা উদ্দীপনার কারন ঘটবে। এখনকার সচেতনটা অন্যরকমের।মানুষের মনের ভূবনে উদ্দীপনা তৈরী কঠিন কাজ কেননা সচেতনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন মনের ভূবনে সাড়া তৈরী করতে সাংস্কৃতি চর্চার চেয়ে উপযোগী মাধ্যম নাই। এর মাধ্যমে মানব সমজের সচেতনতার একটি ম্যাপ তৈরী করাও সম্ভব সচেনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি।

টাকাপয়সা হাতের ময়লা নাকি আসলে বড় বড় রাস্ট্রগুলির নিজস্ব পদ্ধতির সাজানো একপ্রকার হাতসাফাই এর খেলা

 বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি মডেল রাস্ট্র। কিভাবে স্বল্পন্নোত বা এলডিসি থেকে উন্নত রাস্ট্রের দিকে যেতে হবে পৃথিবীর সকল ক্ষুদ্র রাস্ট্রের জন্য মডেল হিসাবে ধরা হয়। এই সত্য কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে ধনী ও বৃহৎ রাস্ট্রগুলির মধ্যে এসম্বন্ধে কিছু অনুমান নিশ্চই আগে থেকেই ছিলো। আমরা শুনতে শুনতে বড় হয়েছি যে টাকাপয়সা নাকি হাতের ময়লা আজ আছে কাল নাই। তাহলে এই যে জীবন যাপনের মহাযজ্ঞ চলছে চারিদিকে এটা কাদের জন্য তাহলে।কোন জাতী অর্থনীতির শুদ্ধতম দর্শনগুলি সঠিক ভাবে ধারন করে পরে উন্নয়নের পথে হেঁটে যাচ্ছে। আমাদের জীবন দর্শন হল কোনমতে খেয়ে পরে শান্তিতে জীবন যাপন করা।এখানে উন্নয়নের ধারনা কল্পনা বা কাহীনি যাই হোক সেটা বক্তব্যের মধ্যে আলোকিত করলে মনে হবে যেন মেঘ না চাইতেই জল। কিন্তু এখন যুগটা হয়ে গেছে সেক্টরিয়াল ভায়োলেন্সের যুগ। এখানে সব দেখে শুনে মনে হবে যেন তেলো মাথায় তেল দিতে পারাই যেন আসলে বৃহৎ উন্নত রাস্ট্রগুলির প্রকৃত পরিচয়। অনেক ক্ষুদ্র রাস্ট্র যে এখন অস্তিত্বের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এরও অন্য কোন কারন কি আছে তাহলে। মৃত্যু পরবর্তী কঙ্কালের ভাষ্য  রবীন্দ্রনাথের কঙ্কালের ভাষায় বলার দরকার না...

নিশ্চয়তা মানুষের প্রত্যাশার কাছে কোন কোন উপায়ে প্রতিপাদ্য হয়।

 আবেগ এবং ভাষায় দ্বন্দ কোন দৃশ্যমান পদ্ধতিতে দেখার উপায় নেই। একটি দীর্ঘ সময়ের মাপকাঠিতে সূচীন্তিত বিভিন্ন ধারাবাহিকতায় বৈচিত্র গুলি এবং অতঃপর সূদীর্ঘ ইতিহাসটি জহুরীর চোখে পর্যালোচনা করলে পরে এই চলমান দ্বন্দে কিছুটা আলোকপাত করা হয়তো সম্ভব।  নিশ্চয়তা হচ্ছে একটি শব্দ যার ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই এখনও সচেতন নয়। কিন্তু নিশ্চয়তার প্রত্যাশা করা প্রবৃতির অংশ ।  অতীতেও এরকম অনিশ্চিত জীবন যাপন হয়তো ছিলো। তাই  অধিকাংশ মানুষ বলতে এখানে কি বুঝাচ্ছে সেটার ব্যাখ্যা বিশ্লেষনের জন্যও নির্দিস্ট কিছু মাপকাঠির দরকার হয়। জীবন পরিচালনায় নিশ্চয়তার ধারনার ব্যাপকতা, বিস্তৃত চিন্তার ক্ষেত্র ও মৌলিক বিশ্বাসের সাথে এর সংগতিপূর্ন অবস্থান থাকে তাই এখনকার আলোকিত যুগের পর্যলোচনায় এটা সাফল্যের বিচারে অনেক বেশী অনুভূত হচ্ছে একথাটিও ভুলে গেলে চলবে না। কারন মানুষের কার্যকলাপের ভিতরে প্রছন্ন অবস্থায় বিরাজমান থাকে আসলে নিশ্চয়তার অনুভূতিগুলিই। প্রছন্ন অবস্থায় থাকে বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সহযোগিতা।  নিশ্চয়তার এই অনুভূতিটি মনের মধ্যে অধিকতর সক্ষমতা তৈরী করবে। কারন ব্যাক্তির মন থেকে শুরু করে একটি সমাজ গঠন ...