সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

HeadAd

টাকাপয়সা হাতের ময়লা নাকি আসলে বড় বড় রাস্ট্রগুলির নিজস্ব পদ্ধতির সাজানো একপ্রকার হাতসাফাই এর খেলা

 বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশগুলির একটি মডেল রাস্ট্র। কিভাবে স্বল্পন্নোত বা এলডিসি থেকে উন্নত রাস্ট্রের দিকে যেতে হবে পৃথিবীর সকল ক্ষুদ্র রাস্ট্রের জন্য মডেল হিসাবে ধরা হয়। এই সত্য কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে ধনী ও বৃহৎ রাস্ট্রগুলির মধ্যে এসম্বন্ধে কিছু অনুমান নিশ্চই আগে থেকেই ছিলো।

আমরা শুনতে শুনতে বড় হয়েছি যে টাকাপয়সা নাকি হাতের ময়লা আজ আছে কাল নাই। তাহলে এই যে জীবন যাপনের মহাযজ্ঞ চলছে চারিদিকে এটা কাদের জন্য তাহলে।কোন জাতী অর্থনীতির শুদ্ধতম দর্শনগুলি সঠিক ভাবে ধারন করে পরে উন্নয়নের পথে হেঁটে যাচ্ছে। আমাদের জীবন দর্শন হল কোনমতে খেয়ে পরে শান্তিতে জীবন যাপন করা।এখানে উন্নয়নের ধারনা কল্পনা বা কাহীনি যাই হোক সেটা বক্তব্যের মধ্যে আলোকিত করলে মনে হবে যেন মেঘ না চাইতেই জল। কিন্তু এখন যুগটা হয়ে গেছে সেক্টরিয়াল ভায়োলেন্সের যুগ। এখানে সব দেখে শুনে মনে হবে যেন তেলো মাথায় তেল দিতে পারাই যেন আসলে বৃহৎ উন্নত রাস্ট্রগুলির প্রকৃত পরিচয়। অনেক ক্ষুদ্র রাস্ট্র যে এখন অস্তিত্বের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এরও অন্য কোন কারন কি আছে তাহলে।

মৃত্যু পরবর্তী কঙ্কালের ভাষ্য  রবীন্দ্রনাথের কঙ্কালের ভাষায় বলার দরকার নাই। এই দেশের স্থাপত্যের নিদর্শনে এমন অনেকেরই কাজকর্ম রেখে গেছেন যাঁরা ইতিহাস হয়ে গেছে সেসব কথাও। কাজ তবুও থেমে থাকছে না, চলছে। চলবেও অনন্তকাল। কেউ কেউ ইতমধ্যেই বুঝে গেছেন কার কি কাজ বিশ্ববাস্তবতার এসব অর্থনৈতীক ভারসাম্যহীন অবস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রকৃত মান চিত্র।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মানুষের লড়াই এক বা একাধিক মৌলিক অধিকার এবং প্রয়োজনকে রিফ্লেক্ট করবে

মৌলিক অধিকারের জন্য মানুষের লড়াই এক বা একাধিক প্রয়োজনকে রিফ্লেক্ট করবে। এখানে যেমন হতাশাজনক পুনরাবৃত্তি হওয়ার সুযোগ থাকে তেমনি সুযোগ সন্ধানীদের অংশগ্রহনে বৈপ্লবীক পরিবর্তনের সফলতা ও ব্যার্থতাকে প্রভাবিত করার নজীরও অবশ্যই আছে।তাই যেখানে অসংখ্য অসম্পুর্ন বর্ননা আছে সেটাকেই পরিবর্তনের সূতিকাগার ভাবা যায়।সুতরাং তাই বলেই হয়তো সতর্কতা।কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। দৃস্টিপাত রেখে সেসব অসামঞ্জস্যগুলির ব্যাখ্যা করার প্রবনতাও আগেই তৈরী হয়ে থাকে, এবং সেটা বিপ্লবের ঐ সুপ্ত বীজের ভিতর হতে একই সমান্তরালে বাড়তে থাকে একটি সুনিশ্চিতের মধ্যে এবং কিছুটা দোদুল্যমানতায়।বিপ্লবটিকে ফোরকাস্ট করার সুবিধাভোগীরা কখন থেকে সক্রিয় হয়েছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি। পরবর্তিতে সেটা অবশ্যম্ভাবী দূর্নীতির পর্যালোচনা হলেই সেটা সম্ভাব্য সূচনা এবং সমালোচনার মধ্যে অগ্রসর হলে পরে তখন তা বৈধ এলিট রাজনীতিকেও খাটো করার ক্ষমতায়ন অর্জন করে ফেলে এবং তারপর গনবিষ্ফোরনের পরিস্থিতি হলে তখন মূলধারার মানুষের নিশ্চিৎ অংশগ্রহনের মধ্যদিয়ে একটি সর্বাত্মক অভ্যুথ্বানের স্বীকৃতি পায়।...

জ্বে আজ্ঞে তল্পীবাহক

 আমাদের অতীত কি এতই নিকৃস্ট--আগে জ্বি হুজুর, জে আজ্ঞে পরে সুইং ট্রেন্ডস এবং পরাম্পরা প্রেজেন্টিং বিজনেস। এদেশে বহুদিন ধরে একটি অবস্থা পর্যবেক্ষন করা যাচ্ছে যে কোন নামকরা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানোর জন্য কি ভয়ানক প্রতিযোগীতা হয়। ভারতেও এমন হয় কিনা জানিনা। তবে সংক্ষিপ্ত বর্ননায় পাশ্চাত্যের নামিদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মত ভারত বা পাকিস্তানে ভর্তির এরকম আহজারী করতে কখনও শুনি নাই। শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা তো মা-বাবার তত্বাবধানে হওয়া উচিৎ। পদ্ধতিগত পরিবর্তনটা সমাজের সঙ্গে শোভনীয় পর্যায়ে অবস্থান করবে কিনা সেটাই সরকারী নীতি নির্ধারনীতে এ টু জেড পরির্তন এবং দক্ষ ব্যাবস্থাপনায় করা সম্ভব। শিক্ষার শেষ নাই তাই ব্যাবস্থায় হঠাৎ কোন পরিবর্তন করেও লাভ হবেনা।তখন এটা শুধুই এক্সপেরিমেন্টাল পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। শিক্ষা একটি অধিকার এবং সেইভাবে চিন্তা করলে সিলেবাস উঠিয়ে দিতে হবে। যেন একটি মিশ্র প্রকৃতির ও ডাইভার্সিফাইড শিক্ষাব্যাবস্থাপনা গড়ে উঠতে পারে যেখানে বিশ্লষনী মন মানষিকতাকে প্রাধান্য দেয়া হবে এবং কর্মসংস্থানে প্রতিযোগীতার হারটি উল্লেখযোগ্য ভাবে কমানো সম্ভবপর হয়ে উঠে। সিলেবাস মুখস্ত করে হজম করার চেয়েও ...

এদেশের ভবিষৎ কি অজ্ঞেয়বাদীদের হাতে চলে যেতে পারে?

 ভেতর থেকে যে শক্তির উথান ঘটছে সেটাকে 'প্রশাসন' দিয়ে দমন করলেই শক্তি প্রয়োগের প্রশ্ন উঠে আসে এবং অবশেষে অবধারিত পরিনতি। চিরকাল একই রকম যায় না।এদেশের রাজনীতি ভয়ানক জটিল এবং সবসময়ই খুব আনপ্রেডিক্টেবল থাকে।ভেতর থেকে যে শক্তির উথান ঘটছে সেটাকে 'প্রশাসন' দিয়ে দমন করলেই শক্তি প্রয়োগের প্রশ্ন উঠে আসে এবং অবশেষে অবধারিত পরিনতি। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়। দিন যতই এগুচ্ছে স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষ এই বিষয়ের আলোচনা আরো বেশী অশ্লীল আর বুদ্ধীশুদ্ধীহীন ধোঁয়াশায় পরিনত হচ্ছে।দায় গুনছে মুস্টিমেয়...। তবে এবারের ঘটনায় অনেক নতুন বুদ্ধিসুদ্ধির সংযোজন হয়েছে। এদেশের সাধারন মানুষের আবেগকে অব্যার্থভাবে ব্যাবহার করা হয়েছে যে তারও প্রমান আছে।প্রশ্ন হচ্ছে এটা কোন গোস্টির উদ্দেশ্যমূলক কিনা কিংবা স্রেফ ভ্যান্ডালিজম কিনা এসব পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে দেখা।কারন সাধারন মানুষের মন থেকে এসব কোনদিনই মুছে যাবে না।আমি জানি সম্প্রদায়ের প্রশ্নে এদেশে কথাবার্তাগুলি এখন 'বাতুলতা'য় ভরে গেছে; এবং এটাই সত্য যে পৃথীবিতে বাংলাদেশের মানুষরাই শান্তিতে নাই।আবারও এমন ভুল যদি ঘটে থাকে তাহলে জাতীগত ...