ঐতিহ্য জাতীর পরিচয়। এটা সমাজে উচ্চাকাঙখার সঠিক নির্দেশনা তৈরী করে এবং রাজনৈতীক স্থিতিশীলতাকে রুপায়ন করতে জন্য অনেক জরুরী। ঐতীহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা তাই অপরিহার্য। আগের দিনে যখন যাত্রাগান হত সাদামাটা জীবনের গ্রাম যেন জেগে উঠতো। নিরব প্রান্তরের দিকে জনমানুষের মিছিল নামতো। এখন গ্রামের জীবন নিস্তরঙ্গ নয় যে এতটা উদ্দীপনার কারন ঘটবে। এখনকার সচেতনটা অন্যরকমের।মানুষের মনের ভূবনে উদ্দীপনা তৈরী কঠিন কাজ কেননা সচেতনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন মনের ভূবনে সাড়া তৈরী করতে সাংস্কৃতি চর্চার চেয়ে উপযোগী মাধ্যম নাই। এর মাধ্যমে মানব সমজের সচেতনতার একটি ম্যাপ তৈরী করাও সম্ভব সচেনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি।
মৌলিক অধিকারের জন্য মানুষের লড়াই এক বা একাধিক প্রয়োজনকে রিফ্লেক্ট করবে। এখানে যেমন হতাশাজনক পুনরাবৃত্তি হওয়ার সুযোগ থাকে তেমনি সুযোগ সন্ধানীদের অংশগ্রহনে বৈপ্লবীক পরিবর্তনের সফলতা ও ব্যার্থতাকে প্রভাবিত করার নজীরও অবশ্যই আছে।তাই যেখানে অসংখ্য অসম্পুর্ন বর্ননা আছে সেটাকেই পরিবর্তনের সূতিকাগার ভাবা যায়।সুতরাং তাই বলেই হয়তো সতর্কতা।কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। কোন অসম্পূর্নকে একটি কেতাদূরস্থ কায়দায় ধোলাই। দৃস্টিপাত রেখে সেসব অসামঞ্জস্যগুলির ব্যাখ্যা করার প্রবনতাও আগেই তৈরী হয়ে থাকে, এবং সেটা বিপ্লবের ঐ সুপ্ত বীজের ভিতর হতে একই সমান্তরালে বাড়তে থাকে একটি সুনিশ্চিতের মধ্যে এবং কিছুটা দোদুল্যমানতায়।বিপ্লবটিকে ফোরকাস্ট করার সুবিধাভোগীরা কখন থেকে সক্রিয় হয়েছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি। পরবর্তিতে সেটা অবশ্যম্ভাবী দূর্নীতির পর্যালোচনা হলেই সেটা সম্ভাব্য সূচনা এবং সমালোচনার মধ্যে অগ্রসর হলে পরে তখন তা বৈধ এলিট রাজনীতিকেও খাটো করার ক্ষমতায়ন অর্জন করে ফেলে এবং তারপর গনবিষ্ফোরনের পরিস্থিতি হলে তখন মূলধারার মানুষের নিশ্চিৎ অংশগ্রহনের মধ্যদিয়ে একটি সর্বাত্মক অভ্যুথ্বানের স্বীকৃতি পায়।...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন