সময়টা অসহিষ্ণুতার এবং কাউকেই ছাড় না দেয়া মানষিকতার
বর্তমান সময়টা অসহিষ্ণুতার এবং কাউকেই ছাড় না দেয়া মানষিকতা পোষনকারী মানুষদের সময়। তাই এমন একটি সময়ে ভবিষৎতের চেয়েও বর্তমানের প্রতি দৃস্টিনিবদ্ধ করে সাধারন মানুষ। অন্যের ইচ্ছাপূরনের এতটা অনীহা পৃথিবী নিবাসী মানবগোস্টি ইতিপূর্বে কখনোও অবলোকন করেনি। মানুষের ধর্মবিশ্বাস শুধু স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া অন্য কোন প্রয়োজনেই লাগে না।
একটা অংশ আখের গুছাচ্ছে অনেক আগে থেকেই। যেখানে গুছাচ্ছে তাদের সহযোগিতাও তো রয়েছে।
জ্বি। ব্যাপারটা খুবই স্পেসিফিক্যালী উল্লেখ করেছেন। ধন্যবাদ। এখন সবাই যেটুকু বুঝে সেটাকে ভাবাদর্শ একদমই বলা হচ্ছেনা।এখন মানুষ তাদের আইডিয়াকে পুঁজি করে এবং কোন কিছুই নির্দিস্ট করে উল্লেখ না করেও মানুষ তাদের ধারনাগুলিকে আরো পরিপুস্ট করে নিতে সক্ষম।সমাজ কোন গাঁথুনি নয় শুধুই বৃহত্তর একটি উপাদান। যতই বিত্তবান হোক না কেন কোন সমাজই অভঙ্গুর হয় না। কিছুটা ছেলেমানুষি মনে হলেও এটার সত্যতা অস্পস্ট হলেও আছে যে মানুষের টিকে থাকার প্রাধান্যটা কোথায় থাকবে এবং কিভাবে সে প্রাধান্য একটি জেন্ডার সচেতন সমাজে থাকবে সেসমস্ত কথামালা এবং বাস্তবে এইসব ভাবনা কতটুকু বিকাশমান আছে সমাজে বা জীবনযাত্রায় সেটা প্রকাশ্য হল কিনা সেইসব কথা বা হরিবল ব্যাপারকে সরাসরি এড্রেস করার ক্ষমতা একটি ক্ষুদ্র সমাজের থাকেনা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন